ঢাকার দোহারে উত্তাল পদ্মা,আবার ভাঙনের কবলে বিস্তীর্ণ জনপদ - মানবাধিকার বার্তা

Breaking

Breaking News

Comments

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২

ঢাকার দোহারে উত্তাল পদ্মা,আবার ভাঙনের কবলে বিস্তীর্ণ জনপদ

ঢাকার দোহারের পদ্মাতীরবর্তী নারিশা, নয়াবাড়ি,কুসুমহাটি,মাহমুদপুর ও বিলাশপুর ইউনিয়নের এবং মৈনট ঘাট এলাকায় ভাঙনে প্রায় সহস্রাধিক বাড়িঘর ও কয়েক হেক্টর আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের আতঙ্কে সড়কে রাত কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী ঐ এলাকার মানুষ। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে উপজেলার এলাকাগু‌লোতে এই ভাঙন দেখা দেয়। সরেজমিনে দেখা যায়,কুতুবপুর গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব মিরাজ শেখ, মানিক মিয়া, আব্দুস সালাম, হযরত আলী, দবির মিয়াসহ কয়েকজন বলেন, বর্ষার পানি আসার পরই থেমে থেমে এলাকা ভাঙছে। এর আগে পার্শ্ববর্তী মধুরচর,রানী পুর এলাকায় প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় আবাদি জমি ও সহস্রাধিক কাঁচা বাড়িঘর ভাঙনের শিকার হয়েছে।শূন্য হয়ে পড়েছে বিস্তীর্ণ জনপদ। ঘর বাড়ি হারা এ সমস্ত মানুষ রাত কাটাচ্ছে খোলা আকাশের নিচে।
বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলা উদ্দিন মোল্ল্যাহ বলেন, ‘গ্রামবাসীকে নিয়ে নদীতীরবর্তী প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় বাঁশ দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করেছি, এর পুরোটাই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। কুতুবপুর গ্রামে নদীভাঙন ভয়াবহ আকারে দেখা দিয়েছে। আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল করিম বলেন, ‘স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জানতে পেরে ইতিমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই স্থানের বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ওই এলাকার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ ও সহযোগিতা করা হবে।’ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন জানান, ‘বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট সালমা ইসলাম কে জানানো হয়েছে। শিগগিরই সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করা হবে।সারা দেশের ৫৪টি ভাঙনপ্রবণ এলাকার মধ্যে দোহারের পদ্মা রক্ষা বাঁধ চূড়ান্ত হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান করবেন।’

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Recent in Sports

Most Popular

Tags