২০ বছর পরে দোহারের ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ভোটাররা - মানবাধিকার বার্তা

Breaking

Breaking News

Comments

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২

২০ বছর পরে দোহারের ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ভোটাররা

মানবাধিকার বার্তাঃ নাছির উদ্দিন পল্লব (দোহার): ঢাকার দোহার উপজেলায় দীর্ঘ ২০ বছর পর ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাইপাড়া সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর এই ৩ ইউপিতে নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে সামনে রেখে বহিরাগত লোকজনের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় ভোটারসহ স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। মাহমুদপুর, সুতারপাড়া ও রাইপাড়া ইউনিয়নের একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই উদ্বেগ উৎকণ্ঠা যেন পিছু ছাড়ছে না। রাইপাড়া ইউনিয়নের আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আলি হোসেন নান্টু বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন। তবে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন বলেন, আমার লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে আমার নির্বাচনী প্রতিপক্ষের লোকজন। অপরদিকে মাহমুদপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী বলেন, তার ইউনিয়নে বহিরাগত লোকজনের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন। সংঘাত ও প্রভাবমুক্ত সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। রাইপাড়া ও মাহমুদপুর এলাকার একাধিক ভোটার জানান, এমনিতেই চিন্তায় আছি ইভিএমে ভোট নিয়ে। তারপর আবার বহিরাগত লোকজন ও বিভিন্ন প্রভাবশালীদের হুমকি-ধমকি। কেন্দ্রে ভোট দিতে পারব কিনা কে জানে। দোহার উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে। আমরা বিন্দুমাত্র নির্বাচনী আচরণবিধির ব্যত্যয় ঘটতে দেব না। এ সময় তিনি সব প্রার্থীকে সচেতন হওয়া ও নির্বাচনী অচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অবাধ ও সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচন দিতে আমরা প্রস্তুত। আমরা নির্বাচনী আইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। কোনো অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। কেউ কোনো বিশেষ সুবিধা পাবে না। প্রতিটি ইউনিয়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ৮ জন পুলিশ ও ১৭ জন আনসার থাকবে। প্রতি ইউনিয়নে ১ প্লাটুন করে বিজিবি থাকবে। বহিরাগতদের বিষয়ে বলেন, সোমবার দুপুর থেকে নবাবগঞ্জ ও দোহার থানার বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। নির্বাচনী ৩ ইউনিয়নে কোনো বহিরাগতদের থাকতে দেওয়া হবে না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Recent in Sports

Most Popular

Tags