২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্তের নতুন রেকর্ড
গতকাল রোববার ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চসংখ্যক রোগী শনাক্তের নতুন রেকর্ড হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা গতকাল সংবাদ বুলেটিনে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৮৮৭ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ হাজার ৬৫৭। এই ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২২৮ জনের। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৩৬ জন। এ নিয়ে মোট হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি গেলেন ২ হাজার ৬৫০ জন।
গতকাল রোববার ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চসংখ্যক রোগী শনাক্তের নতুন রেকর্ড হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা গতকাল সংবাদ বুলেটিনে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৮৮৭ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ হাজার ৬৫৭। এই ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২২৮ জনের। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৩৬ জন। এ নিয়ে মোট হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি গেলেন ২ হাজার ৬৫০ জন।
এর আগে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৯০ জন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল ৬ মে। আর ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল ১৭ এপ্রিল। দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ১০০ হয়েছিল সংক্রমণ শনাক্তের ৪৪তম দিনে। আর সেটি ২০০ ছাড়াতে সময় লাগে মাত্র ১৮ দিন।
দেশে মোট আক্রান্তের ৯৮ শতাংশই শনাক্ত হয়েছে সংক্রমণের দ্বিতীয় মাসে। এ সময়টা পুরোটাই ছিল সরকারি ছুটি তথা কার্যত লকডাউন (অবরুদ্ধ) পরিস্থিতির মধ্যে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়। একই দিন থেকে ইফতারি বিক্রির জন্য দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। বিভিন্ন জেলায় লকডাউনও ঢিলেঢালা হয়ে পড়েছে। এতে সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। গত ছয় দিনের মধ্যে এক দিন বাদে প্রতিদিনই ৭০০-এর বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। গতকাল প্রথমবারের মতো সেটি ৮০০ ছাড়িয়ে ৯০০-এর কাছাকাছি গেছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, ভাইরাস বিশেষজ্ঞ নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দেশে একটা সময় সংক্রমণ পিকে যাবে, এটা গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে একটি পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে কিসের ভিত্তিতে এই এই পূর্বানুমান করা হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। কিছুদিন ধরে প্রতিদিন ৬০০-৭০০ জনের মতো শনাক্ত হয়েছিল। এপ্রিলের শেষ দিক থেকে পোশাক কারখানা এবং কিছু দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ১০-১২ দিন পর দেখা গেল (গতকাল) ৮৮৭ জন শনাক্ত হয়েছে। পোশাক কারখানা খুলে দেওয়াতে এটা হলো কি না, সেটা ভাবার বিষয়। আরও দু–এক দিন দেখতে হবে। যদি এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে তাহলে তার কারণ খুঁজে বের করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
সূত্র : প্রথম আলো

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন