বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC মহামারী করােনাভাইরাস এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে সারাদেশের বাজারগুলােতে নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা এবং দোকানগুলােতে মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখার বাধ্যতামূলক আইন করার জোর দাবি জানিয়েছে। মূল্য তালিকা না থাকার প্রেক্ষিতে মােটা চাল,
বিভিন্ন ধরনের ডাল, ভােজ্য তেল, আদা, পেয়াজ, রসুন সহ বিভিন্ন মসলা জাতীয় দ্রব্যাদি লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঝে মাঝে মােবাইল কোর্টের মাধ্যমে দোকানদারদের নিকট থেকে তাৎক্ষণিক জরিমানা আদায় করলেও এই তৎপরতা মূল্য স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকায় আসছে না।
বিভিন্ন ধরনের ডাল, ভােজ্য তেল, আদা, পেয়াজ, রসুন সহ বিভিন্ন মসলা জাতীয় দ্রব্যাদি লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঝে মাঝে মােবাইল কোর্টের মাধ্যমে দোকানদারদের নিকট থেকে তাৎক্ষণিক জরিমানা আদায় করলেও এই তৎপরতা মূল্য স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকায় আসছে না।
বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে নিত্যপ্রয়ােজনীয়
জিনিসের উপর সরকারের মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলক থাকে, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের ন্যায় একটি জনবহুল দেশে জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল্য তালিকা নেই। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে জাতীয় ভােক্তা অধিকার অধিদপ্তর নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তারা কিছু কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জাতীয় ভােক্তা অধিকার অধিদপ্তরও এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কোন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করতে পারেনি। মূল্য তালিকা অবশ্যই ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের নিকট থাকতে হবে। মূল্য তালিকা না থাকার প্রেক্ষিতে বিক্রেতা দোকানদার অথবা পাইকারি আড়ৎদারগণ যখন তখন দ্রব্যমূল্যের দাম লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। আকস্মিকভাবে জরিমানা আদায় করে দেশে নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদির বাজার ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। মূল্য তালিকা প্রকাশ্যে থাকলে এবং তা অমান্য করলে শাস্তি প্রদান করা হলেই বাজার ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে। রাজধানী ঢাকা সহ সকল সিটি কর্পোরেশনগুলােতে সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় ভােক্তা অধিকার অধিদপ্তর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব গ্রহণ আবশ্যক। অপরদিকে সিটি কর্পোরেশনের বাহিরের এলাকাগুলােতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারের সর্বস্তরের কর্মকর্তারা বাজারগুলােতে অভিযান
গতিশীল করলে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক করা সম্ভব।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি মূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলক করার জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে।
জিনিসের উপর সরকারের মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলক থাকে, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের ন্যায় একটি জনবহুল দেশে জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল্য তালিকা নেই। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে জাতীয় ভােক্তা অধিকার অধিদপ্তর নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তারা কিছু কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জাতীয় ভােক্তা অধিকার অধিদপ্তরও এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কোন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করতে পারেনি। মূল্য তালিকা অবশ্যই ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের নিকট থাকতে হবে। মূল্য তালিকা না থাকার প্রেক্ষিতে বিক্রেতা দোকানদার অথবা পাইকারি আড়ৎদারগণ যখন তখন দ্রব্যমূল্যের দাম লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। আকস্মিকভাবে জরিমানা আদায় করে দেশে নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদির বাজার ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। মূল্য তালিকা প্রকাশ্যে থাকলে এবং তা অমান্য করলে শাস্তি প্রদান করা হলেই বাজার ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে। রাজধানী ঢাকা সহ সকল সিটি কর্পোরেশনগুলােতে সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় ভােক্তা অধিকার অধিদপ্তর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব গ্রহণ আবশ্যক। অপরদিকে সিটি কর্পোরেশনের বাহিরের এলাকাগুলােতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারের সর্বস্তরের কর্মকর্তারা বাজারগুলােতে অভিযান
গতিশীল করলে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক করা সম্ভব।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি মূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলক করার জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন